শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় লালমনিরহাটবাসী ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু’র চমক! নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে সাংবাদিকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠিত ফিরে দেখা: জাতীয় পরিষদ, প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাঁরা নির্বাচিত! লালমনিরহাট-০২ আসনে পূর্ণাঙ্গ ভোট গণনার দাবিতে প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত লিচু গাছে গাছে সোনালী মুকুল যাঁরা জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন! উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ ‎ভোটের সময় সবাই বলেন লালমনিরহাটের শিবেরকুটি সরেয়ারতল ঘাটে ব্রিজ হবে, ভোট শেষে খবর থাকে না
অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় লালমনিরহাটবাসী

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় লালমনিরহাটবাসী

-‎মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ ::
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হওয়ার পর নতুন মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাচ্ছেন এ নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

‎সারা দেশের ন্যায় লালমনিরহাট থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ৩ হেভিওয়েট প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর এ থেকে এবার মন্ত্রিসভায় কারা সুযোগ পাচ্ছেন এ নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। এই আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন লালমনিরহাটের ১জন। তিনি হলেন- বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এবং তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী, সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।

‎এবারের নির্বাচনসহ ৩ বারের মতো ১৮, লালমনিরহাট-০৩ (লালমনিরহাট সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালে প্রথম বার জাতীয় পার্টির দুর্গ ভেঙ্গে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। এরপর ১ অক্টোবর ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ আসন (লালমনিরহাট সদর): আসাদুল হাবিব দুলু নির্বাচিত হন। আর এবারে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ আসন (লালমনিরহাট সদর) আসাদুল হাবিব দুলু নির্বাচিত হন।

‎অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই লালমনিরহাট জেলার উন্নয়নে কাজ করতে শুরু করেন তিনি।

‎২০০১ সালের ১ অক্টোবর জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়ে লালমনিরহাটের ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন। অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদ সদস্য ও উপমন্ত্রী হয়ে লালমনিরহাট জেলার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তাঁর জোরালো ভূমিকার কারণে লালমনিরহাটের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

‎সব মিলে লালমনিরহাট জেলায় উন্নয়নের ক্ষেত্রে একমাত্র অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুই জানেন জেলার আর কি কি উন্নয়ন করতে হবে, কি কি বাকি আছে। তাই তাকে যদি মন্ত্রিত্ব দেয়া হয় তাহলে আগামী ৫ বছরে জেলার সকল উন্নয়ন কাজ শেষ করে লালমনিরহাট জেলাবাসীকে একটি মডেল জেলা হিসেবে তৈরি করা সম্ভব হবে বলে অনেকেই মনে করছেন।

‎জানা গেছে, রংপুর বিভাগের রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে মন্ত্রিত্ব দেয়া প্রয়োজন।

‎সেক্ষেত্রে এ জেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে ৩জন জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অনেকের মতে, আসাদুল হাবিব দুলু রাজনীতিতে অনেক অভিজ্ঞ এবং বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

‎তিনি মন্ত্রিত্ব পেলে গোটা লালমনিরহাট জেলায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার পাশাপাশি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে মন্ত্রিত্ব দাবী করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে।

‎অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু-এঁর নির্বাচনী ইশতেহার ১৮ লালমনিরহাট ০৩ (লালমনিরহাট সদর): স্থানীয় অঙ্গীকারপত্রে বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কারের দর্শন এবং লালমনিরহাট-৩ এর মানুষের বাস্তব চাহিদা-এই দুইয়ের মিলিত অঙ্গীকার আমার অঙ্গীকার গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহি, কর্মসংস্থান ও সুষম উন্নয়ন নিম্নে তুলে ধরা হলো-

‎কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়ন প্রধান করণীয়: সদর কেন্দ্রিক যুব স্কিল ডেভেলপমেন্ট, আইটি, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি প্রশিক্ষণ, স্থানীয় শিল্প-ব্যবসায় যুবদের অগ্রাধিকারমলুক নিয়োগ, প্রবাসী কর্মসংস্থানে দালালমুক্ত সহায়তা ডেস্ক। ‎লক্ষ্য: চাকরির জন্য ঢাকা নয়-লালমনিরহাটেই সুযোগ।

‎কৃষক ও কৃষি অর্থনীতি প্রধান করণীয়: ধান, ভুট্টা, সবজি ও দুধের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত, ইউনিয়ন ভিত্তিক সরকারি ক্রয়কেন্দ্র কার্যকরকরণ, সার-বীজ-ডিজেল ও কৃষি উৎপাদন পণ্য, সিন্ডিকেটমুক্ত সরবরাহে নজরদারি, চর ও নিম্নাঞ্চলের জন্য বিশেষ কৃষি সহায়তা। ‎লক্ষ্য: কৃষক বাঁচলে, লালমনিরহাট সদর উপজেলা বাঁচবে।

‎তিস্তা ও নদীকেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা প্রধান করণীয়: তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা, বন্যা-খরা-ভাঙন ঝুঁকি কমাতে পরিকল্পনা, খাল-নদী খনন/পুনঃখনন ও সেচ উন্নয়ন, চরাঞ্চলের জীবন-জীবিকা সুরক্ষা কর্মসূচি। ‎লক্ষ্য: তিস্তা-কেন্দ্রিক নিরাপত্তা মানেই কৃষি ও জীবনের নিরাপত্তা।

‎স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা প্রধান করণীয়: সদর হাসপাতালে ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, মা ও শিশু বিশেষায়িত সেবা জোরদার/প্রতিষ্ঠা, ইউনিয়নে ২৪/৭ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য কার্ড ও সামাজিক সুরক্ষায় সুবিধাবঞ্চিতদের অগ্রাধিকার। ‎লক্ষ্য: বিনা চিকিৎসায় কোনো মৃত্যু নয়-সদরেই সেবা।

‎শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রধান করণীয়: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নিরসন, কারিগরি ও বিজ্ঞান শিক্ষায় চাহিদাভিত্তিক জোর, মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা ও স্কলারশিপ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও নিরাপদ পরিবেশ। ‎লক্ষ্য: একই মানের শিক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ-লালমনিরহাট সদর উপজেলায় অগ্রাধিকার।

‎যোগাযোগ, বন্দর ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা প্রধান করণীয়: মোগলহাট স্থলবন্দর পুনঃস্থাপন, সচল, আধুনিকায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধি, সড়ক-রেল-ও আকাশপথে সমন্বিত যোগাযোগ স্থাপন ও উন্নয়ন, অর্থনৈতিক জোন/ইপিজেডে কৃষিভিত্তিক শিল্প, প্রবাসী বিনিয়োগে উৎসাহ ও স্থানীয় উদ্যোগ। ‎লক্ষ্য: লালমনিরহাট সদর উপজেলায় হবে উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র।

‎ডিজিটাল লালমনিরহাট প্রধান করণীয়: ইউনিয়ন পর্যন্ত ফাইবার/ইন্টারনেট সক্ষমতা, শিক্ষা ও পাবলিক স্পেসে ডিজিটাল অ্যাক্সেস, প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতায় যুবদের গ্লোবাল কাজের প্রস্তুতি। ‎লক্ষ্য: গ্রাম থেকেই গ্লোবাল সংযোগ।

‎শহর-গ্রাম অবকাঠামো ও পরিকল্পিত নগরায়ন প্রধান করণীয়: সদর শহরের ড্রেনেজ ও জলাবদ্ধতা সমাধান, টেকসই রাস্তাঘাট, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, বাজার-হাট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, কৃষিজমি রক্ষা করে পরিকল্পিত আবাসন, শিশু-কিশোরদের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়নের জন্য খেলাধুলা ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশকেন্দ্র ভিত্তিক অবকাঠামো নির্মাণ, সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য কালচারাল সেন্টার অবকাঠামো তৈরী। ‎লক্ষ্য: উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত, টেকসই ও দৃশ্যমান।

‎সুশাসন ও নাগরিক অধিকার প্রধান করণীয়: থানায় হয়রানি বন্ধে স্থানীয় অভিযোগ ব্যবস্থা, ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা, জনপ্রতিনিধির জবাবদিহি ও নাগরিক সংলাপ, আইনের শাসন ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিতকরণ। ‎লক্ষ্য: রাষ্ট্র হবে জনগণের।

‎নারী ও সামাজিক নিরাপত্তা প্রধান করণীয়: নারী উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ ও সহায়তা, বিধবা-প্রতিবন্ধী-বয়স্ক ভাতা সঠিকভাবে প্রদান, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, সংখ্যালঘু ও সকল সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা। ‎লক্ষ্য: নারীর নিরাপত্তা মানেই সমাজের নিরাপত্তা।

‎আলোকিত লালমনিরহাট: নির্মূল ও প্রতিরোধ: মাদকদ্রব্য সেবন, পরিবহন ও বিক্রয়; চোরাচালান ও নারী-শিশু পাচার; এসিড নিক্ষেপ; পরীক্ষার নকল; চাঁদাবাজি; অবৈধ তালাক ও বহুবিবাহ; বাল্যবিবাহ; নারী ও শিশু নির্যাতন; যৌতুক প্রথা; জুয়া; শিশু শ্রম; পতিতাবৃত্তি; পলিথিন ব্যবহার।

‎আলোকিত লালমনিরহাট আমাদের অঙ্গীকার জবাবদিহিমূলক অঙ্গীকার ক্ষমতা নয়-দায়িত্ব জনগণের সাথে নিয়মিত শুনানি/সংলাপ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি-প্রতিবেদন প্রকাশের উদ্যোগ।

একনজরে: আসাদুল হাবিব দুলু, ৪ জুলাই ১৯৬০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন রাজনীতিবিদ, সংগঠক ও নদীকেন্দ্রিক আন্দোলনের কণ্ঠস্বর। বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবুল কাশেম মিঞা ও প্রয়াত রত্নগর্ভা জননী হাবিবা খাতুনের সন্তান দুলু। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং তাঁর সহধর্মিণী লায়লা হাবিব। তিন দুই পুত্র আহনাফ হাবিব ইনতিসার ও আহমিক হাবিব ইয়ারদানের জনক। তিনি আমবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা করেন। এরপর পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে কিছুকাল অধ্যয়ন করে, তিনি রংপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। কারমাইকেল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৬ সালে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীতে যুক্ত হয়ে তাঁর রাজনীতিতে পদার্পণ। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৮৬ সালে প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। একই বছরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নে শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষাক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেন এবং অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ১৯৯১ সালে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবধি সেই দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছেন। তিনি ১৯৯৬ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৮ লালমনিরহাট ৩ (সদর) থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সেতু বিভাগ, যোগাযোগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং একই সঙ্গে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন “জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই” এর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত ১৮ লালমনিরহাট ৩ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone